বিজ্ঞাপণের জন্য যোগাযোগ করুন- 01966555312

শরীয়তপুরে ব্যবসায়ীর দোকানঘর রক্ষা ও মিথ্যা মামলা থেকে বাঁচতে সংবাদ সম্মেলন


 শরীয়তপুর টাইমস ডেস্ক:

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে একের পর এক হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দিয়ে এক ব্যবসায়ীর জমি ও দোকান ঘর দখলে নেওয়ার পায়তারা করছে এক প্রভাবশালী আমেরিকা প্রবাসী। 


এই হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা থেকে বাঁচতে এবং নিজেদের জমি ও দোকান ঘর রক্ষা করতে সংবাদ সম্মেলন করেছে এক ভুক্তভোগীরা। 


বুধবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টায় সখিপুর থানার চরচান্দা খাসমহল বাজারের এই সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়।   


সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী দোকান মালিক হেলাল হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, চরচান্দা খাসমহল বাজারে আমাদের একটি দোকান ঘর রয়েছে। এই সম্পত্তি আমার নানার। মায়ের ওয়ারিশ হিসেবে আমরা তিন ভাই এই জমির মালিক হয়েছি এবং আমরা তিন ভাই এই জমি দীর্ঘদিন যাবৎ ভোগ দখলে আছি। কিন্তু আমেরিকা প্রবাসী রফিকুল ইসলাম কালু হাওলাদার একটি ভূয়া দলিল দেখিয়ে আমাদের দোকান সহ জমি দখলে নেওয়ার পায়তারা করে আসছে। আমাদের উচ্ছেদ করার জন্য একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। মামলা চালাতে গিয়ে আমরা এখন নিঃস্ব। তারা আমাদের দোকান দেখলের জন্য অনেক কিছু করতে পারে। তারা যে কোন সময় আমাদের গুম খুন করতে পারে। আমরা এখন প্রাণের ভয়ে আতংকে আছি। দোকান ঘরটি আমাদের একমাত্র সম্বল। এই দোকান চালিয়ে আমরা বেঁচে আছি। আমরা এই হয়রানি থেকে বাচতে চাই। প্রশাসনের কাছে, সরকারের কাছে আমার আকুল আবেদন, আমরা যাতে আমেরিকা প্রবাসী রফিকুল ইসলাম কালু হাওলাদারের হাত থেকে বাঁচতে পারি এবং আমরা যেন নির্বিঘ্নে আমাদের দোকান চালাতে পারি। 


হেলাল হাওলাদারের ভাতিজা সাইফুল ইসলাম ফাইজু বলেন, এই জমি আমার বাপ-চাচারা ভোগ করেছেন। এখন আমরা ভোগ করছি। কিন্তু আমেরিকা প্রবাসী রফিকুল ইসলাম কালু হাওলাদার একটি ভূয়া দলিল দেখিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে যাচ্ছে। আদালত একটি মামলা খারিজ করলে সে আরেকটি মামলা দিচ্ছে। আমরা তার হাত থেকে বাঁচতে চাই।  


সংবাদ সম্মেলন জমির অন্যান্য ওয়ারিশ ও এলাকার গণমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। 


আমেরিকা প্রবাসী রফিকুল ইসলাম কালু হাওলাদারের মা হামিদা বেগম অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে বলেন, আমার ছেলে চার বছর যাবৎ আমেরিকা প্রবাসী। ওয়ারিশদের কাছ থেকে আমরা জমি কিনেছি। কিন্তু হেলাল হাওলাদার, সাইফুল হাওলাদার আমাদের জমি ছাড়তেছেনা। এ কারণে আমরা মামলা করেছি। মামলায় আমরা রায় পাইছি। কিন্তু তারপরও তারা আমাদের জমি বুঝিয়ে দিচ্ছে না।

Post a Comment

Thnaks For Comment

Previous Post Next Post