ঢাকাসোমবার , ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. গোসাইরহাট
  10. চাকরি
  11. জাজিরা
  12. জাতীয়
  13. ট্যুরিজম
  14. ডামুড্যা
  15. দেশজুড়ে
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • সর্বশেষ

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • শরীয়তপুরে গভীর রাতে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বাড়ীতে হামলা

    নিজস্ব প্রতিবেদক, সদর উপজেলা
    ডিসেম্বর ২২, ২০২৫ ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ
    Link Copied!

    শরীয়তপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গভীর রাতে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।

    এঘটনায় রোববার(২১ ডিসেম্বর) রাতে পালং মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। এরআগে শনিবার গভীর রাতে সদর উপজেলার গয়ঘর খলিফা কান্দি এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

    মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার গভীর রাতে সদর উপজেলার শৌলপাড়া ইউনিয়নের গয়ঘর খলিফা কান্দি এলাকার আলাউদ্দিন বেপারীর বাড়িতে ১০ থেকে ১২জন লোক দেশীয় অস্ত্র ও ককটেল নিয়ে হামলা করে। এসময় বাড়ির আঙ্গিনায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতংক সৃষ্টি করে। পরে একটি টিনের ঘর ও ‘আরিশ এগ্রো’ নামে প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড পিটিয়ে কুপিয়ে ভাংচুর করে। এঘটনায় রোববার রাতে গয়ঘর খলিফা কান্দি এলাকার বিল্লাল হাওলাদার (৪২), হারুন অর-রশিদ হাওলাদার (৫৫), বিলদেওনিয়া এলাকার আতাহার মাদবর (৩৮), আলমাছ মাদবর (৪০) ও মোতাচ্ছের মাদবরের (৪২) নাম উল্লেখসহ ৫ থেকে ৭জনকে অজ্ঞাত আসামী করে শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী আলাউদ্দিন বেপারি।

    আলাউদ্দিনের মেয়ে সাদিয়া ইসলাম এনি বলেন, শনিবার রাত আড়াইটার দিকে ওয়াসরুমে যাব বলে বাহিরে বের হই। এসময় বিল্লাল, হারুন অর-রশিদ, আতাহার, আলমাছ ও মোতাচ্ছেরসহ কয়েকজনকে আমাদের বাড়ির ওঠানে স্পষ্ট দেখতে পাই। তারা আমাদের বাড়িতে ঢুকে ককটেল মারে ও বাড়িঘর পিটিয়ে-কুপিয়ে ভাংচুর করে। তাদের হাতে রামদা, ছ্যানদা, লোহার রড, বাঁশের লাঠি, ককটেল (হাতবোমা) ছিল। আমি চিৎকার করলে আমার বাবাসহ বাড়ির সবাই বাহিরে বের হয়। পরে ৯৯৯ -এ ফোন দিলে বাড়িতে পুলিশ আসে।

    গয়ঘর খলিফা কান্দি এলাকার বাসিন্দা আব্দুল খালেক হাওলাদার বলেন, রাতে বিকট শব্দ শুনে ঘুম ভাঙ্গে। পরে আলাউদ্দিনের বাড়িতে গিয়ে দেখি পুলিশ এসেছে।

    আলাউদ্দিন বেপারী বলেন, আমি আমার জমিতে পেঁপে বাগান ও একটি ফার্ম করবো তাই জমিতে মাটি দিয়ে উচু করছিলাম। তা দেখে আমার কাছে ৩০ লাখ টাকা দাবি করে বিল্লাল হাওলাদার, আতাহার মাদবর, আলমাছ মাদবর, হারুন অর রশিদ হাওলাদার, মোতাচ্ছের মাদবররা। এগুলো আমলে না নেয়ায় আমার এক শ্রমিকে মারধর করে তারা। তারপর শনিবার রাত আড়াইটার দিকে হঠাৎ বিকটশব্দে আমার ঘুম ভাঙ্গে। পরে দেখি বাড়ি ও আমার প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড ভাংচুর করা হয়েছে। আমার বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে তারা। আমাকে বিভিন্ন মাধ্যমে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে তারা। তাই আমি থানায় মামলা করেছি। হামলাকারীদের বিচার দাবি করছি।

    এদিকে, বিল্লাল হাওলাদার ও অন্যান্য অভিযুক্তদের বাড়িতে গেলে তাদের পাওয়া যায়নি। তবে বিল্লালের বোন নাছিমা বেগম বলেন, জমি নিয়ে আলাউদ্দিনের সঙ্গে আমাদের ঝামেলা ছিল। তাকে আমরা বলছিলাম জমি না মেপে, এস্কেভেটর মেশিন লাগাইও না। এঘটনার পর রাতেই শুনি তাদের বাড়িতে দূর্ঘটনা। তারা নিজেরাই ঘটনাটি ঘটিয়ে, এখন আমাদের উপর দোষ চাপাচ্ছে।

    এবিষয়ে পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) শাহ আলম বলেন, আলাউদ্দিনের বাড়ির আঙ্গিনা থেকে ককটেল সাদৃশ্য উদ্ধার করেছি। তাদের মধ্যে জমি নিয়েও ঝামেলা রয়েছে। এঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

    এই অয়েবসাইটে প্রতিনিধিদের কর্তৃক তথ্যপ্রাপ্তি হয়ে নিজস্ব প্রতিবেদক কর্তৃক নিউজ প্রস্তুত করে প্রকাশ করা হয়। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

    Design & Developed by BD IT HOST