ঢাকাবুধবার , ১২ আগস্ট ২০২৬
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. কৃষি
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. গোসাইরহাট
  10. চাকরি
  11. জাজিরা
  12. জাতীয়
  13. ট্যুরিজম
  14. ডামুড্যা
  15. দেশজুড়ে
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • সর্বশেষ

  • আপনার এলাকার খবর খুঁজুন

    খুঁজুন
  • ১৫ দিনে একাধিক স্থানে ককটেল বোমা বিস্ফোরণ; আতঙ্কে জাজিরাবাসী, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

    নিজস্ব প্রতিবেদক, জাজিরা
    আগস্ট ১২, ২০২৬ ১০:৩৯ অপরাহ্ণ
    Link Copied!

    শরীয়তপুরের জাজিরায় একের পর এক বোমা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ছে। সর্বশেষ বোমা বিস্ফোরণে একজন নিহত হওয়ার একদিনের ব্যবধানে আবারও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে একটি ভবনের ছাদের নিরাপত্তা গাইডওয়াল ভেঙে গেছে এবং পানির ট্যাংক ফেটে ছিটকে পড়ে। ধারাবাহিক এসব ঘটনায় পুলিশের তৎপরতা এবং বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

    মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাত ২টার সময় জাজিরা পৌরসভার জামাল মাদবর কান্দি এলাকায় শাহ আলম বেপারী নামে এক ব্যক্তির ভবনের ছাদে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় ভবনের ছাদের নিরাপত্তা গাইডওয়াল ভেঙে যায়। ছাদে থাকা পানির ট্যাংকও ফেটে পাশের স্থানে ছিটকে পড়ে। তবে এ ঘটনায় কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    এঘটনার মাত্র একদিন আগে, সোমবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যায় জাজিরার লাউখোলা এলাকায় দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় ককটেল বিস্ফোরণে মান্নান সরদার (৭০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হন। ওই ঘটনায় আরও অন্তত ১০ জন আহত হন। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও বিস্ফোরণের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

    এর আগে গত ২৯ জুলাই সকালে জাজিরার বিকেনগর ইউনিয়নের কদম আলী মাদবর কান্দি গ্রামের জব্বার মাদবরের বাড়ির টয়লেটের ছাদে শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। এতে টয়লেটের ছাদ ধসে পড়ে এবং ওপরের পানির ট্যাংকটি বিস্ফোরণের তীব্রতায় উড়ে গিয়ে অন্য স্থানে পড়ে।

    তারও একদিন আগে, ২৮ জুলাই বিলাসপুর ইউনিয়নে এক প্রবাসীর বাড়ির পেছনের সেপটিক ট্যাংকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে সেপটিক ট্যাংকের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    অর্থাৎ, গত ১৫ দিনের মধ্যে জাজিরার তিনটি পৃথক এলাকায় বোমা বা ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এর বাইরে গত কয়েক মাসে বিলাসপুর ইউনিয়নে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ, কবরস্থান থেকে বিপুলসংখ্যক ককটেল উদ্ধার এবং সর্বশেষ সংঘর্ষে বোমা বিস্ফোরণে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে।

    সর্বশেষ বিস্ফোরণের খবর পেয়ে জাজিরা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভবনের ছাদে ককটেল মজুত ছিল। তবে কীভাবে সেখানে বিস্ফোরক গেল এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েক মাস ধরে জাজিরার বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক বোমা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলেও এসব ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।

    এক ঘটনায় প্রাণহানির মাত্র একদিন পর ফের বিস্ফোরণের ঘটনায় পুলিশের নজরদারি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এসব ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন হিসেবে না দেখে বিস্ফোরকগুলো কোথা থেকে আসছে, কারা এগুলো তৈরি বা মজুত করছে এবং এসব ঘটনার মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে দ্রুত তদন্ত শেষ করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

    এ বিষয়ে জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহাম্মদ বলেন, “খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনার সঙ্গে কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদি কেউ জড়িত থাকে, তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, প্রতিটি বিস্ফোরণের পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করলেও বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে দৃশ্যমান ফলাফল কবে আসবে? বিশেষ করে একজন নিহত হওয়ার মাত্র একদিন পর ফের বিস্ফোরণের ঘটনায় জাজিরার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের আরও কার্যকর, দৃশ্যমান ও প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তারা।

    এই অয়েবসাইটে প্রতিনিধিদের কর্তৃক তথ্যপ্রাপ্তি হয়ে নিজস্ব প্রতিবেদক কর্তৃক নিউজ প্রস্তুত করে প্রকাশ করা হয়। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।

    Design & Developed by BD IT HOST